vc66-এর জন্ম হয়েছিল একটি সমস্যার সমাধান করতে
২০১৮ সালের কথা। বাংলাদেশের একজন ক্রিকেটপ্রেমী অনলাইনে বেট করতে চাইছিলেন, কিন্তু সমস্যা একটাই — পুরো ইন্টারফেস ইংরেজিতে, পেমেন্ট পদ্ধতি জটিল, আর সাপোর্ট টিমের কাছ থেকে বাংলায় কোনো সাহায্য নেই। সেই হতাশা থেকেই জন্ম নিল vc66-এর ধারণা।
২০১৯ সালে vc66 যখন প্রথম লঞ্চ হলো, তখন মাত্র ২০ হাজার সদস্য ছিলেন। কিন্তু আমরা জানতাম, যদি বাংলাদেশের মানুষের ভাষায়, তাদের পেমেন্ট পদ্ধতিতে, তাদের পছন্দের গেম নিয়ে একটা প্ল্যাটফর্ম বানানো যায় — তাহলে সেটা ঠিকই মানুষের মনে জায়গা করে নেবে।
আজ, পাঁচ বছর পর, vc66 বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন বেটিং ও গেমিং কমিউনিটির কেন্দ্র। ঢাকা থেকে রাজশাহী, চট্টগ্রাম থেকে সিলেট — দেশের প্রতিটি জেলায় আমাদের সদস্যরা আছেন। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ vc66-এ ক্রিকেট বেটিং করছেন, লাইভ ক্যাসিনো উপভোগ করছেন এবং জিতছেন।
"আমরা বিশ্বাস করি, বেটিং তখনই আনন্দের হয় যখন সেটা নিরাপদ, স্বচ্ছ ও নিজের ভাষায় হয়। vc66 সেই বিশ্বাস থেকেই তৈরি।"
— vc66 প্রতিষ্ঠাতা দলকী আছে vc66-এ যা অন্যত্র নেই?
বাংলাদেশে অনলাইন বেটিং প্ল্যাটফর্মের অভাব নেই, কিন্তু vc66 যা করে তা সত্যিই আলাদা। প্রথমত, পুরো প্ল্যাটফর্ম বাংলায় — শুধু ইন্টারফেস নয়, কাস্টমার সাপোর্ট, বেটিং টিপস, প্রমোশনাল অফার — সব কিছু সহজ বাংলায়। দ্বিতীয়ত, bKash, Nagad ও Rocket-এ মিনিটের মধ্যে ডিপোজিট ও উইথড্রয়াল।
তৃতীয়ত — এবং এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ — vc66 কখনো তার সদস্যদের সাথে প্রতারণা করেনি। প্রতিটি অডস ন্যায্য, প্রতিটি উইথড্রয়াল সময়মতো, এবং কোনো লুকানো শর্ত নেই। এই সততাই আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি।
আমাদের পরিবার কোথায় কোথায় আছেন
vc66-এর সদস্যরা বাংলাদেশের ৬৪ জেলা থেকে এসেছেন। চট্টগ্রামের বন্দরের কাছের কেউ, রংপুরের চা বাগানের পাশের কেউ, কক্সবাজারের সমুদ্র সৈকতের কাছের কেউ — সবাই একটাই প্ল্যাটফর্মে মিলিত হন। এই বৈচিত্র্যই vc66-এর প্রাণ।
আমরা শুধু একটি বেটিং সাইট নই। আমরা একটি কমিউনিটি — যেখানে ক্রিকেট নিয়ে আলোচনা হয়, গেমিং টিপস শেয়ার হয়, এবং প্রতিদিন নতুন নতুন গেমার তাদের প্রথম জয়ের আনন্দ উপভোগ করেন।